টিভির প্যানেলে চার বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে মার্সেল

টেলিভিশনের প্যানেলে চার বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টির ঘোষণা দিয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড মার্সেল। চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে ৩২ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বেশি এলইডি টেলিভিশন কেনার পর চার বছরের মধ্যে প্যানেলে কোনো সমস্যা হলে গ্রাহকদের বিনা মূল্যে প্যানেল পাল্টে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

রোববার রাজধানীর বসুন্ধরায় মার্সেল কর্পোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়। ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন মার্সেলের নির্বাহী পরিচালক ইভা রিজওয়ানা, মো. হুমায়ূন কবির, আমিনুল ইসলাম খান (আমিন খান), হেড অব সেলস ড. সাখাওয়াত হোসেন এবং হেড অব সার্ভিস মুজাহিদুল ইসলাম।

এতে জানানো হয়, বিশ্বমানের মার্সেল এলইডি টিভি তৈরি হয় গাজীপুরের চন্দ্রায় নিজস্ব কারখানায়। এজন্য বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বের লেটেস্ট প্রযুক্তির মেশিনারিজ স্থাপন করা হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে বৃহৎ টেলিভিশন গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ। যেখানে উচ্চ-শিক্ষিত, মেধাবী ও দক্ষ প্রকৌশলীরা মার্সেল টিভির মান উন্নয়নে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে মার্সেলের নির্বাহী পরিচালক এবং হেড অব সেলস ড. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৩২ ইঞ্চি থেকে শুরু করে ৫৫ ইঞ্চি পর্যন্ত স্মার্ট এবং নন-স্মার্ট টেলিভিশনের প্যানেলের ক্ষেত্রে বর্ধিত এই গ্যারান্টি সুবিধা মিলবে। আর ২০ থেকে ২৮ ইঞ্চি টিভির প্যানেলে ২ বছরের গ্যারান্টি থাকবে।

মার্সেলের হেড অব সার্ভিস মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, এলইডি টিভির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে প্যানেল। টিভির মোট ব্যয়ের ৬০ শতাংশই লাগে প্যানেলে। প্যানেল ক্ষতিগ্রস্থ হলে গ্রাহককে গুণতে হয় মোটা অঙ্কের অর্থ। বাজারে আমদানিকৃত অখ্যাত ব্র্যান্ডের এলইডি টিভি কিনে গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কারণ এসব টিভিতে বেশিরভাগ সময়েই ব্যবহার করা হয় নিম্নমানের প্যানেল।

উল্লেখ্য, মার্সেল টিভিতে উচ্চমানের ছবি ও শব্দের গুণগতমান নিশ্চিত করতে ডাইনামিক নয়েজ রিডাকশন, মোশন পিকচার, সর্বোচ্চ ফ্রেম রেট, ডলবি ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম সমৃদ্ধ নিজস্ব ডিজাইনের উন্নত প্রযুক্তির মাদারবোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। উৎপাদন পর্যায়ে নিজস্ব কারখানায় কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সাশ্রয়ী মূল্যে এলইডি টিভি বাজারজাত করায় বিক্রিও হচ্ছে বেশি। অধিক উৎপাদনের ফলে কমে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ। যার সুফল পাচ্ছেন ক্রেতারা। তারা আরো সাশ্রয়ী মূল্যে দেশে তৈরি বিশ্বমানের এলইডি টেলিভিশন কিনতে পারছেন।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published.