জামিনের মেয়াদ বাড়ল খালেদা জিয়ার

জামিনের মেয়াদ বাড়ল খালেদা জিয়ার

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১৭ জুলাই পর্যন্ত কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে আদালত। অসুস্থতার কারণে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সনকে আদালতে না আনায় তার জামিনের মেয়ার বৃদ্ধি করেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান। একইসঙ্গে একইদিন ওই মামলার যুক্তি উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করেছে আদালত।

মঙ্গলবার খালেদাকে আদালতে হাজির করার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তা করা যায়নি বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হওয়ার মতো শারীরিকভাবে সুস্থ নন মর্মে আদালতে একটি প্রতিবেদন পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে শুনানি করেন।

পরে বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আখতারুজ্জামান দাতব্য ট্রাস্টের মামলায় খালেদার জামিন ১৭ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত রয়েছে এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি আছে। একই বিচারক অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। এরপর থেকেই নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন বিএনপি প্রধান।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এ মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিুউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।

মানবকণ্ঠ/এসএস

Leave a Reply

Your email address will not be published.