জামায়াত প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

নিবন্ধন বাতিল হওয়া সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর বাংলাদেশের প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামাতের বেশ কয়েকজন নেতা বিএনপির ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। তাদের প্রার্থীতা চ্যালেঞ্জ করে সোমবার এ রিট দায়ের করা হয়।

রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন নেই। নিবন্ধনহীন একটি দলের প্রার্থীরা কীভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হন- এ যুক্তিতে রিটটি দায়ের করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রিটের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীর দায়ের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হয়। কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধন হারানো জামায়াত এবার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট করে দুটি আসনে জয়ী হয়। আর জোটের সিদ্ধান্তে দশম নির্বাচন বয়কট করে দলটি।

জামায়াতের ২২ আসন : জামায়াত নেতাদের মধ্যে চিঠি পেয়েছেন- দিনাজপুর-১ মোহাম্মদ হানিফ, দিনাজপুর-৬ মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, গাইবান্ধা-১ মাজেদুর রহমান সরকার, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, পাবনা-৫ মাওলানা ইকবাল হুসাইন, ঝিনাইদহ-৩ অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, যশোর-২ আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ অধ্যাপক আবদুল আলীম, খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী, ঢাকা-১৫ ডা. শফিকুর রহমান, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-১১ ডা. আবদুল্লাহ মো. তাহের, চট্টগ্রাম ১৫ আ ন ম শামসুল ইসলাম ও কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আযাদ।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ