জাফরানের জানা অজানা

খাবারে রং ও গন্ধ বাড়াতে এই মসলার জুড়ি মেলা ভার। তবে এটি শুধু দর্শনদারিই নয়, এর রয়েছে নানান ব্যবহার। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, জাফরানের ইংরেজি নাম ‘স্যাফরন’ নামটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘সাফরানুম’ থেকে। তবে অনেকে মনে করেন জাফরান শব্দটি এসেছে আরবদের কাছ থেকে, আরবিতে যার অর্থ ‘হলুদ’। নাম যেখান থেকেই আসুক এই মসলা প্রাচীনকাল থেকে নানানভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
জাফরান থেকে যে রং তৈরি করা যায় তা প্রথম ৫০ হাজার বছর আগে উত্তর-পশ্চিম ইরানে আবিষ্কৃত হয়। পরে সুমেরীয়রা বিভিন্ন অসুখের প্রতিকার ও জাদুবিদ্যার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করত।
প্রাচীন পারস্যরাজ্যে জাফরানের তন্তু থেকে সুতা তৈরি করে কাপড় বোনা হত। তখনকার দেব দেবীর পোশাক বোনার ক্ষেত্রেই মূলত এই তন্তু বেশি ব্যবহৃত হতো। তাছাড়া রং তৈরি, সুগন্ধি ও গোসলের প্রসাধনী তৈরি করতে জাফরান ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
চীন এবং ভারতে পোশাক রং করা এবং সুগন্ধ ধরে রাখার জন্য জাফরান ব্যবহার করা হতো। পোকামাকর দূর করতেও কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হতো এই মসলা।
আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রে হতাশা দূর করতে, যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধিতে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও জাফরান ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
তাছাড়া হজমের সমস্যা দূর করতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, গ্যাসের সমস্যা এবং মেনোপজের কারণে হওয়া নানান সমস্যা কমাতে জাফরান বেশ উপকারী। সূত্র: ইন্টারনেট

মানবকণ্ঠ/আরএস