চান্দিনায় আওয়ামী লীগে গ্রুপিং চাঙ্গা, নতুন নেতৃত্বের খোঁজে বিএনপি

১৩টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভা নিয়ে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা গঠিত। কুমিল্লা উত্তর জেলার ৭টি উপজেলার মধ্যে এই উপজেলাটি নানা কারণেই মর্যাদাবান। সব ক’টি রাজনৈতিক দলেরই উত্তর জেলার প্রধান কার্যালয় এই চান্দিনাতেই। এই উপজেলার বর্তমান ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪৬ হাজার ৮৩২ জন। এখানে আওয়ামী লীগে রয়েছে তীব্র কোন্দল। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এমপি আলী আশরাফ আর প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. প্রাণ গোপাল দ্বন্দ্বে এই উপজেলার আওয়ামী লীগে এখন ত্রাহী মধুসূদন অবস্থা। গোটা চান্দিনা উপজেলায় এখন এই দুই নেতার দ্বন্দ্বে দুই গ্রুপে বিভক্ত রয়েছে আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গসংগঠন। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও এখানে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। অপর দিকে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির এখানে কোনো কোন্দল কিংবা গ্রুপিং না থাকলেও জেলা উত্তর সভাপতি খোরশেদ আলম মারা যাওয়ার পর দেখা দিয়েছে চরম নেতৃত্ব সংকট। আর এখানে এলডিপি, জাতীয় পার্টি ও খেলাফত মজলিশ বেশ সক্রিয় রয়েছে তবে জামায়াত ইসলামী এখানে খুবই নিষ্ক্রিয়।

আওয়ামী লীগ: চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুই নেতার মেরুকরণে দোটানায় পড়েছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নিয়ে মাঠে রয়েছেন স্থানীয় এমপি সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ। তিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার সঙ্গেই রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটির বেশিরভাগ পদধারী নেতাকর্মী এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন যুবলীগ নেতাকর্মীরা। স্থানীয়ভাবে সুপারিশকৃত ছাত্রলীগের একটি কমিটি এবং এদের অনুমোদিত ইউনিয়ন কমিটির নেতাকর্মীরাও তার নেতৃত্বেই রয়েছেন।

অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর থেকে ইউপি নির্বাচন, চাওয়া-পাওয়া ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের একটি অংশ তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। এদের মধ্যে কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য এবং মাইজখার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ রয়েছেন কয়েক সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার হওয়া নেতাকর্মীরাও তার সঙ্গে রয়েছেন। জেলা ছাত্রলীগ অনুমোদিত চান্দিনা উপজেলা ছাত্রলীগ এবং চান্দিনা উপজেলা শ্রমিক লীগের কমিটির নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে রয়েছেন।

চান্দিনা উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাধারণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অধ্যাপক আলী আশরাফ আর ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের মধ্যে দ্বন্দ্ব কোনো আদর্শিক দ্বন্দ্ব নয়। তাদের দ্বন্দ্ব হচ্ছে এমপি হওয়া আর না হওয়া নিয়ে। মূলত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়াকে কেন্দ্র করেই এই দুই প্রভাবশালী নেতার মধ্যে শুরু হয়েছে গ্রুপিং। আর এই গ্রুপিংকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা মামলা ও কারাবরণের ঘটনাও ঘটছে।

এ বিষয়ে এমপি আলী আশরাফ অনুসারী হিসেবে পরিচিত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন বক্সী জানান, ‘আওয়ামী লীগের কোনো পদধারী নেতাকর্মী ডা. প্রাণ গোপালের সঙ্গে নেই। এমনকি ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত ব্যক্তিগতভাবে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো পদে নেই। আমাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আগামী নির্বাচনেও অধ্যাপক আলী আশরাফ সাহেবই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন।’ আগামী নির্বাচনে ডা. প্রাণ গোপাল মনোনয়ন পাবেন বলে তার সমর্থিত নেতাকর্মীরা প্রচার চালাচ্ছেনÑ এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘এ ধরনের বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই।’

অপরদিকে, ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের অনুসারী হিসেবে পরিচিত, কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য ও যুবলীগ নেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘বর্তমান কমিটির অনেকেই গোপনে ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের সঙ্গে রয়েছেন। মার্চের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের পদধারী অনেক নেতাই আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করবেন। চেয়ারম্যান-মেম্বাররা সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ বা চাওয়া-পাওয়ার বিষয় নিয়েই এমপি সাহেবের সঙ্গে রয়েছেন। খুব শিগগিরই অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে আশা করছি।’

নির্বাচন সামনে রেখে উভয় গ্রুপই সভা সমাবেশ করে তৃণমূল ও জনগণের সমর্থন নিয়ে দলীয় মনোয়নের প্রত্যাশায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি: চান্দিনা উপজেলা বিএনপিতে কোনো গ্রুপিং নেই, নেই কোনো দ্বন্দ্বও। এখানে বিএনপিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পাশাপাশি মোকাবিলা করতে হয় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক এলডিপিকেও। চান্দিনা বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর অভিযোগ, চান্দিনায় আওয়ামী লীগ আমাদের যত না ক্ষতি করেছে এলডিপি করেছে তার চেয়েও বেশি। তাদের বক্তব্যের নির্যাস হচ্ছে, এলডিপির রেদওয়ান ২০ দলের সঙ্গে যতই জোট করুক না কেন, চান্দিনায় বিএনপির কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীই রেদওয়ান আহমেদকে মেনে নেবে না, যদি তিনি জোটের মনোনয়ন পানও।

তবে কুমিল্লা উত্তর জেলা ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মো. খোরশেদ আলমের মৃত্যুতে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি চান্দিনায় নেতৃত্ব শূন্যতায় পড়েছে। দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান ভূইয়া ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। আলহাজ মো. খোরশেদ আলমের শোকসভায় চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সভাপতির পদ পূরণের বিষয়টি নিয়ে বিষদ আলোচনা হয়। এতে উপজেলা ও ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা প্রয়াত আলহাজ মো. খোরশেদের ছেলে মো. আতিকুল আলম শাওনকে সভাপতি ও আগামী দিনে চান্দিনা বিএনপির নেতৃত্ব প্রদানের প্রস্তাব করেন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ছাড়া নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছেন বর্ষীয়ান নেতা কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মফিজ উদ্দিন ভূইয়া। এদিকে ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে চান্দিনায় বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। গ্রেফতার আতঙ্কে অনেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন। সক্রিয় আন্দোলন করতে না পারলেও গ্রুপিং না থাকায় সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। তবে আগামী নির্বাচনে বিএনপি জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করলে শরিক দল এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ এ আসনে জোটগত দিক থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মফিজ উদ্দিন ভূইয়া এ বিষয়ে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে ড. রেদওয়ান আহমেদ মনোনয়ন পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আর পেলে তখন উপজেলার শীর্ষ নেতাদের নিয়ে অল্টারনেটিভ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকেও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এত মামলা করেনি, যত মামলা এলডিপির পক্ষ থেকে করা হয়েছে।’ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কে হবেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে স্বল্প পরিসরে একটি সভা হয়েছিল। কিন্তু সভাপতি কে হবেন বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

এলডিপি: ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদওয়ান আহমেদের নেতৃত্বে চান্দিনায় গড়ে ওঠা এলডিপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজনীতিকভাবে সক্রিয় রয়েছেন। এলডিপি বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে অনেক সভা-সমাবেশ করেছেন এলডিপি নেতাকর্মীরা। সভাগুলোতে জনসম্মুখে বক্তৃতায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদওয়ান আহমেদই আগামী নির্বাচনে জোটের মনোনয়ন পাবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এলডিপি নেতাকর্মীরা। বিএনপি থেকে সরে গিয়ে এলডিপি গঠন করা এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা মোকদ্দমা দায়েরের কারণে এক প্রকার বেকায়দায় রয়েছেন ড. রেদওয়ান আহমেদ। তার নেতৃত্ব বিএনপি নেতকর্মীরা মেনে নেবে না বলে জানা যায়।

উপজেলা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. আতিকুর রহমান জানান, ‘ব্যক্তিগতভাবে যারা ড. রেদওয়ান আহমেদকে পছন্দ করেন না তারাই তার বিরোধিতা করেন। জোটগতভাবে নির্বাচন হলে ড. রেদওয়ান আহমেদ মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করলে আদর্শের রাজনীতি যারা করে সবাই তার পক্ষে কাজ করবেন বলে আশা করি।’

জাতীয় পার্টি: এদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় পার্টি এখানে সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে। কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. লুৎফুর রেজা খোকনের নেতৃত্বে তারা রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তার নেতাকর্মীরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে দলীয় প্রচারণা অব্যাহত রাখছেন। তিনি বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করে চলেছেন। তিনি মহাজোট থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে, উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় পার্টির কোনো স্থায়ী কার্যালয় নেই।

কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. লুৎফুর রেজা খোকন জানান, ‘জোটগতভাবে নির্বাচন হলে আমি মনোনয়ন পাব বলে শতভাগ আশাবাদী। চান্দিনা আওয়ামী লীগে গ্রুপিং রয়েছে। অপরদিকে আমাদের জাতীয় পার্টি ও এর সব অঙ্গসংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।’

জাতীয় পার্টির কার্যালয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘চান্দিনা পশ্চিম বাজারে শাহ আলম মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাতীয় পার্টির কার্যালয় রয়েছে। সেখানেই আমাদের সভা-সমাবেশ হয়।’

খেলাফত মজলিস: অপরদিকে ২০দলীয় জোটের অপর শরিক দল চান্দিনা উপজেলা খেলাফত মজলিসও সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশ করে দলীয় পরিসর বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ওলামা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা নোমান মাযহারীর নেতৃত্বেই তারা রাজনীতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। জোটের অন্য শরিক দলগুলোর নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক তৎপরতা তেমন দেখা যায়নি।

কুমিল্লা উত্তর জেলা খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসউদুর রহমান জানান, ‘কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের কাছে প্রার্থীর তালিকা চেয়েছিল। চান্দিনা থেকে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ওলামা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা নোমান মাযহারীর নাম প্রার্থী হিসেবে পাঠানো হয়েছে। জোটগতভাবে নির্বাচন হলে আমরাও মনোনয়ন প্রত্যাশা করি। নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত হয়েছে।’

জামায়াত ইসলামী: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চান্দিনা উপজেলায় বর্তমানে চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলায় তাদের ন্যূনতম কর্মকাণ্ডও দৃশ্যমান হচ্ছে না। এমনকি দলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার জন্যও কোনো নেতাকর্মীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মানবকণ্ঠ/এসএস