চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান

ছয় দফা দাবি নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমণ্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন তারা।

তাদের দাবি গুলোর মধ্যে রয়েছে: জাতির পিতা ও তার পরিবারসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অবমাননাকারীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে; সরকারি সকল চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল সংরক্ষণ বিশেষ কমিশন গঠন করে প্রিলিমিনারি থেকে শতভাগ বাস্তবায়ন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সংরক্ষিত পদগুলো বিশেষ নিয়োগ এর মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। দাবির মধ্যে রাজাকারসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ, তাদের বংশধরদের সরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও নিয়োগ অযোগ্য ঘোষণা এবং চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে চাকরিচ্যূত করতে হবে; বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পারিবারিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী সকল প্রকার অপপ্রচার বন্ধ, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে সব রাজাকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলাসহ সকল প্রকার অরাজকতা সৃষ্টিকারী স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ এবং দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে; সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্মের বয়সসীমা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করতে হবে- বলে দাবি করা হয়েছে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অহিদুল ইসলাম তুষার বলেন, আমরা বিকেল পাঁচটায় শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশ করি সেখান থেকে মিছিল নিয়ে এখানে এসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাননীয় উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম উনি আমাদের কাছে এসেছিলেন এবং আমাদেরকে কর্মসূচি স্থগিত করতে বলেছেন। আমরা ওনাকে বলেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

মানবকণ্ঠ/এএম