গ্রিন টি কখন পান করবেন

গ্রিন টি। যাকে পুষ্টিবিদরা বলছেন ওয়েট লস বেভারেজ। কেন? অন্য চায়ের মতো গ্রিন টি আমাদের শরীরে জারিত হয় না। তাই এই চা অন্য চায়ের তুলনায় স্বাস্থ্যকর। অনেক রকম ফ্লেভার তো বটেই, বাজারে ভেষজ গ্রিন টি-ও পাওয়া যায়। গ্রিন টি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমতে দেয় না।

রক্তনালীতে এই সব ফ্যাট জমলে রক্ত সঞ্চালন বাধা পায়। গ্রিন টি মেটাবলিজমের মাত্রা বাড়িয়ে দ্রুত ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি পলিফেনল ও ফ্লাভনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। এই গ্রিন টি দিনের কোন সময় পান করলে সবচেয়ে উপকার পাওয়া যায়? ভারতীয় পুষ্টিবিদ অঞ্জু সুদের মতে, গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ও দিনে ৩ কাপের বেশি পান করা উচিত নয়। এর বেশি গ্রিন টি পান করলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে যেতে পারে। বেশি পরিমাণ গ্রিন টি শরীর থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান বের করে দিতে পারে। সকালে মেটাবলিজমের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে।

তাই সকালে ওঠে গ্রিন টি পান করা খুবই উপকারী। আবার সন্ধ্যায় যখন আমাদের মেটাবলিজমের মাত্রা কমে যায় তখন গ্রিন টি মেটাবলিজমের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই গ্রিন টি পান করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় সকাল ১০-১১টা মধ্যে বা সন্ধ্যায়। অন্যদিকে ভারতীয় ম্যাক্রোবায়োটিক নিউট্রিশনিস্ট ও হেলথ প্র্যাক্টিশনার শিল্পা অরোরা মনে করেন, সকাল ও সন্ধ্যা দুই সময়ের জন্যই ভাল গ্রিন টি। তবে যাদের ঘুম নিয়ে সমস্যা রয়েছে তাদের সন্ধ্যায় গ্রিন টি পান না করাই ভাল কারণ তা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আবার যেহেতু গ্রিন টি ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে তাই খাওয়া-দাওয়ার ১-২ ঘণ্টা পর গ্রিন টি পান করাও উপকারী। – আনন্দবাজার পত্রিকা।

মানবকণ্ঠ/এএম

Leave a Reply

Your email address will not be published.