গোলাম সারওয়ার সাংবাদিকতার বাতিঘর

‘আমি চাই আমার মৃত্যু বার্তা কক্ষেই হোক’- এমন কথা আর কে বলতে পারেন? সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব গোলাম সারওয়ারের মুখেই এমন কথা শোভা পায়। মানুষ মরণশীল। মানুষের মৃত্যু কখন-কোথায় হবে তা শুধু উপরের একজনই জানেন। শ্রদ্ধাজন গোলাম সারওয়ার তার ইচ্ছের কথা বলেছিলেন- তার মৃত্যু যেন বার্তা কক্ষেই হয়। কিন্তু তা হয়নি! তার মৃত্যু হলো হাসপাতালে, তাও আবার দেশের বাহিরে। একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি সাংবাদিক, দৈনিক সমকালের সম্পাদক ও বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব গোলাম সারওয়ার চলে গেলেন জীবনের অনিবার্য গন্তব্যে। ৭৫ বছর বয়সী এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বর্ষীয়ান সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের হঠাৎ চলে যাওয়ায় দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। সাংবাদিক জগতের কিংবদন্তির এ অসময়ে চলে যাওয়ায় যে ক্ষতি হলো, তা কোনোদিন পূরণের নয়। তার মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল মূল্যবোধ তরুণ সাংবাদকর্মীদের ইতিবাচক চেতনা জাগ্রত করে। সংবাদপত্রের প্রধান স্তম্ভ বার্তা বিভাগে তার সৃজনশীলতা, সংবাদবোধ ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে ক্ষমতা ছিল, তা এ দেশের সংবাদমাধ্যম জগতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি একাধারে সৃজনশীল ও পেশাদার সাংবাদিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে গোলাম সারওয়ার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। মুক্তচিন্তার এ মানুষটি সাংবাদিকতা জগতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার প্রয়াণে বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হলো। আমরা তার প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
যেভাবে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়
শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধায় সিক্ত গোলাম সারওয়ার। গতকাল সকাল পৌনে ১১টার দিকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় সর্বস্তরের মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান বর্ষীয়ান এই সাংবাদিককে।
ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান যারা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, মানবাধিকারকর্মী খুশি কবীর, আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, আরটিভি, পুলিশের পক্ষে আইজি, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, প্রকাশক একে আজাদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, আনন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান স. ম. শামসুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ অনেকে।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গোলাম সারওয়ার বাংলাদেশের একজন গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি একজন আপসহীন কলমযোদ্ধা তা আমরা তার লেখনীর মাধ্যমে জানি। তিনি সবার কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন। ভালো মানুষগুলো কেন জানি আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে। আমার কাছে খুব খারাপ লাগছে। একথা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।’
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘সারওয়ার ভাই সাংবাদিক জগতের কিংবদন্তি হয়েছিলেন। অসময়ে চলে গেছেন তিনি, আমরা এরকম আশা করি নাই। এই ক্ষতি কোনোদিন পূরণ হবে না।’
সমকালের প্রকাশক একে আজাদ বলেন, ‘গোলাম সারওয়ারের অভাব সবসময় অনুভব করব। এই ক্ষতি অপূরণীয়।’
সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি বলেন, ‘গোলাম সারওয়ার সাংবাদিকতাকে যেই উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তা অকল্পনীয়। তিনি ছিলেন সাংবাদিকতার বাতিঘর। যে আলো তিনি জ্বালিয়ে দিয়ে গেছেন সে পথেই আমরা চলব।’ এর আগে গোলাম সারওয়ারকে শেষবারের মতো তেজগাঁওয়ে তার প্রিয় কর্মস্থল সমকালের প্রধান কার্যালয়ে নেয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বারডেমের হিমঘর থেকে তার মরদেহ সমকাল কার্যালয়ে নেয়া হয়। এ সময় সমকাল কার্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সকাল সোয়া ৯টায় সমকাল কার্যালয়-সংলগ্ন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসমানী হল মাঠে গোলাম সারওয়ারের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এদেশের সাংবাদিকতার উজ্জ্বল এক নক্ষত্র ছিলেন গোলাম সারওয়ার। মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল মূল্যবোধ আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার এ মানুষটির হাতে গড়া ন্যূনতম পাঁচশ’ সাংবাদিক বর্তমানে দেশের প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। আর এ কারণে তাকে অনেকেই সাংবাদিকতার শিক্ষক মানেন। গোলাম সারওয়ারের সম্পাদনায় আত্মপ্রকাশ করে দেশের শীর্ষ দুই সংবাদপত্র দৈনিক ‘যুগান্তর’ ও ‘সমকাল’।
পরিবার ও জীবন
বরিশালের বানারীপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ?১৯৪৩ সালের ১ এপ্রিল গোলাম সারওয়ারের জš§। বাবা মরহুম গোলাম কুদ্দুস মোল্লা ও মা মরহুম সিতারা বেগম। স্থানীয় স্কুল-কলেজে পড়াশোনার গণ্ডি পেরিয়ে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। অনার্সে ছাত্র থাকাকালীন ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পয়গামের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। ১৯৬৩ সালে মাস্টার্স শেষ করে সাংবাদিকতাকেই অবলম্বন হিসেবে বেছে নেন, দৈনিক সংবাদের সহসম্পাদক হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন। একাত্তরের সেই কালরাত্রি ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংবাদেই কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরেই গোলাম সারওয়ার সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলায় চলে যান। ট্রেনিং শেষ করে প্রথম গেরিলা ট্র–পের সদস্য হিসেবে সশ্রস্ত্র যুদ্ধ শুরু করেন। নিজ এলাকা বানারীপাড়ায় বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেন।
কর্মজীবন বৃত্তান্ত
মুক্তিযুদ্ধের পর বছর খানেক বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গোলাম সারওয়ার। ১৯৭৩ সালের মাঝামাঝিতে আবারও ফিরেন সাংবাদিকতায়, দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে প্রধান সহসম্পাদক, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
সত্তর দশকের মাঝামাঝিতে চলচ্চিত্রের সোনালি সময়ে ইত্তেফাকের ব্যবস্থাপনায় সাপ্তাহিক পূর্বাণী নামে একটি রঙিন সাময়িকী প্রকাশিত হতো। দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র বিষয়ক ওই সাময়িকীর নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন গোলাম সারওয়ার। এ দেশের চলচ্চিত্রকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে চিত্রালী ও পূর্বাণী পত্রিকা ওই সময় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাচসাস’-এর সাধারণ সম্পাদকও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। দেশের সংবাদপত্রশিল্পে আশির দশক থেকে বৃহৎ কলেবরে সাহিত্য সমৃদ্ধ ঈদসংখ্যা প্রকাশের রেওয়াজ শুরু হয়। সাপ্তাহিক পূর্বাণীতে প্রথম ম্যাগাজিন আকারে বৃহদায়তনের ঈদসংখ্যা তারই সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল।
দীর্ঘ দুই যুগ দৈনিক ইত্তেফাকে কর্মরত থাকার পর ১৯৯৯ সালে দৈনিক যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দৈনিক সমকাল। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রকাশনার শুরু থেকেই গোলাম সারওয়ার প্রতিষ্ঠিত এ দুটি দৈনিক দেশের বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ষাটের দশকে সাংবাদিকতার শুরু থেকে টানা অর্ধশত বছর গোলাম সারওয়ার এই পেশায় মেধা, যুক্তিবোধ, পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা, মুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার নিরবচ্ছিন্ন চর্চাকে উৎসাহিত করে গেছেন। সংবাদপত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ বার্তা বিভাগে গোলাম সারওয়ারের সৃজনশীলতা, সংবাদবোধ ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। তিনিই প্রথম এদেশে প্রতিদিন রঙিন খেলার পাতা, বিনোদন পাতা, নানা স্বাদের গুচ্ছ গুচ্ছ ফিচার প্রকাশ করার রীতি প্রবর্তন করে দৈনিক পত্রিকার চেনা অবয়বকে পাল্টে দিয়ে একটি দৈনিককে পরিবারের সব সদস্যের উপযোগী করে তোলার পরিকল্পনাকে সফলভাবে বাস্তবায়িত করেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি প্রচুর বই লিখেছেন গোলাম সারওয়ার। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে ছড়াগ্রন্থ রঙিন বেলুন এবং প্রবন্ধ সংকলন সম্পাদকের জবানবন্দি, অমিয় গরল, আমার যত কথা, স্বপ্ন বেঁচে থাক উল্লেখযোগ্য।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব গোলাম সারওয়ার বিভিন্ন সময় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) চেয়ারম্যান ও জাতীয় প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি।
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য গোলাম সারওয়ার ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়া তিনি ২০১৬ সালে কালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশ (সিজেএফবি) আজীবন সম্মাননা এবং ২০১৭ সালে আতাউস সামাদ স্মারক ট্রাস্ট আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন।
দেশের সংবাদপত্রের বিকাশ ও উত্তরণের ইতিহাসে একজন পথিকৃৎ মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। সংবাদপত্র জগতে নামটি গুরুত্বের সঙ্গে বারবার উচ্চারিত হবে। আমাদের সংবাদপত্রের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, সিরাজুদ্দীন হোসেন, জহুর আহমেদ চৌধুরী, বজলুর রহমান, ফয়েজ আহ্?মদ, কেজি মুস্তাফার মতো উজ্জ্বল মানুষেরা। তারই ধারাবাহিকতায় গোলাম সারওয়ারও আমাদের একজন পথিকৃৎ সাংবাদিক। যার হাত ধরে আমাদের সংবাদমাধ্যম বহুদূর পথ পাড়ি দিয়েছে। তিনি এই পেশায় মেধা, যুক্তিবোধ, পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা, অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার নিরবচ্ছিন্ন চর্চায় নিবেদিত ছিলেন এবং বাংলাদেশের সংবাদপত্রকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। গণমাধ্যমকর্মীরা অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে যাবে।
একনজরে গোলাম সারওয়ার
জš§: ১৯৪৩ সালের ১ এপ্রিল। জš§স্থান: বরিশালের বানারীপাড়া। বাবা: মরহুম গোলাম কুদ্দুস মোল্লা। মা: মরহুম সিতারা বেগম। শিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর (সম্মান)। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি: দৈনিক আজাদীর বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা (১৯৬২)। পেশাগত সাংবাদিকতা শুরু: দৈনিক সংবাদের সহসম্পাদক (১৯৬৩-১৯৭১)। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ: বরিশালের বানারীপাড়া অঞ্চলের রণাঙ্গনের যোদ্ধা। কর্মজীবনের দীর্ঘসময়: দৈনিক ইত্তেফাক (১৯৭৩ থেকে ১৯৯৯)। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক: দৈনিক যুগান্তর (১৯৯৯) ও দৈনিক সমকাল (২০০৫)। সম্পাদনা: সাপ্তাহিক পূর্বাণী (নির্বাহী সম্পাদক)। প্রবর্তন: ম্যাগাজিন আকারে ঈদসংখ্যা প্রকাশ, খেলা ও বিনোদনের রঙিন পাতা।
প্রকাশিত গ্রন্থ
রঙিন বেলুন (ছড়া সংকলন), সম্পাদকের জবানবন্দি (কলাম), অমিয় গরল (প্রবন্ধ), আমার যত কথা (স্মৃতিচারণ), স্বপ্ন বেঁচে থাক (প্রবন্ধ)
উল্লেখযোগ্য সম্মাননা: একুশে পদক (২০১৪), সিজেএফবি আজীবন সম্মাননা (২০১৬), আতাউস সামাদ স্মারক ট্রাস্ট আজীবন সম্মাননা (২০১৭)।
গণমাধ্যম ডেস্ক