গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপির সংসদে আসা উচিৎ: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্নীতিগ্রস্ত, সাজাপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামি বলেই জনগণ নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তারপরও যে কয়টা আসনে তারা জিতেছে। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে তাদের সংসদে আসা উচিৎ।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের উপদেষ্টা পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথ সভার সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ এর নির্বাচনে বিএনপি যদি মনোনয়ন বাণিজ্য না করত, তাহলে হয়তো তাদের ফলাফল আরো একটু ভালো হতে পারত।

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এতিমের টাকা লুটের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেলে আছেন আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হত্যা মামলা, দুর্নীতি এবং মানিলন্ডারিংসহ একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। এসব কর্মকাণ্ডের জন্যই তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অতীতের মতো সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনও বিএনপি বানচালের চেষ্টা করেছিল। এবারও তাদের নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা সবাই দেখেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনও তারা বানচাল করার অপচেষ্টা করেছিল।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে আওয়ামী লীগ আজকের অবস্থানে এসেছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে অর্জনগুলো ধরে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয় বলেই মানুষ আবারো আমাদেরকে ভোট দিয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গত দশ বছরে জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে বলেই মানুষ ভোট দিয়ে আবারও বিজয়ী করেছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে শুধু আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, দেশের উন্নয়ন হয়।

এ সময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, এইচ টি ইমাম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরউল্লাহ, মতিয়া চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/এএম