আইনজীবীদের কাছে বিচারকের প্রশ্ন

‘খালেদার অনুপস্থিতিতেই কি বিচার চলবে?’

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাবন্দী খালেদা জিয়া কারাগারে অস্থায়ী আদালতে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাই বিচারক আসামিপক্ষের আইনজীবীদের কাছে জানতে চেয়েছেন, এ অবস্থায় প্রধান আসামির অনুপস্থিতিতেই জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলতে পারে কি-না। এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীর বক্তব্য শোনার জন্য বৃহস্পতিবার দিন রেখেছেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান।

অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার আইনজীবী আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেছেন। বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন ছাড়া এভাবে কারাগারের ভেতরে একজন বন্দির বিচারের ব্যবস্থা করা সংবিধান ও আইন পরিপন্থি। এ মামলায় খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিনেরও আবেদন করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকে আসামি করা হয়। পরে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। তখন থেকে বিএনপি নেত্রী সেখানেই বন্দি আছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.