খাদ্যে বিষক্রিয়া এড়াবেন?

ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া এক ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা। সাধারণত প্রায় প্রত্যেক মানুষই এক বা একাধিকবার এ সমস্যায় পড়ে থাকেন। পচা বা বাসি খাবার, অস্বাস্থ্যকর বা জীবাণুযুক্ত খাবার বা পানীয়র কারণে ফুড পয়জনিং হতে পারে। বারবার বমি, জ্বর, পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা ফুড পয়জনিংয়ের লক্ষণ। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে মৃত্যুর কারণও হতে পারে ফুড পয়জনিং। জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্যবিভাগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ফুড পয়জনিংয়ের অন্যতম কারণ মাংস ভালোভাবে রান্না না করা। মাংসের মধ্যে বেশির ভাগ সময় প্যাথোজেন থাকে। সঠিক তাপমাত্রায় রান্না না করলে মাংসে প্যাথোজেন থেকে যায়। এ মাংস খেলে ফুড পয়জনিং হতে পারে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা যেকেনো রোগব্যাধি থেকে সুরক্ষার অন্যতম উপায়। এছাড়া রান্না ও খাওয়ার জন্য ব্যবহৃত থালা, বাসন, গ্লাস, চামচসহ নানা জিনিসপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার রাখুন। এসব ছোট ছোট বিষয় ফুড পয়জনিং প্রতিরোধে কাজ করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঠাণ্ঢা থাকলে ফ্রিজের খাবার ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে। তাই ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটরকে পর্যাপ্ত ঠাণ্ডা রাখতে তামপাত্রা কমপক্ষে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত রাখুন। পেটে অস্বস্তিভাব এড়াতে বেশি খাওয়ার অভ্যাস বাদ দেন। রাস্তার খাবার সাধারণত তেমন স্বাস্থ্যকর হয় না। আর গরমে এসব খাবার আরো অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। তাই রাস্তার খাবার বাদ দিয়ে ঘরে প্রস্তুতকৃত খাবারের ওপর আস্থা রাখুন।

মানবকণ্ঠ/আরএস