ক্ষমতার ভারসাম্য ও আইনের শাসনসহ ১৮ অঙ্গীকার বিএনপির

ক্ষমতার ভারসাম্য ও আইনের শাসনসহ ১৮ অঙ্গীকার নিয়ে আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করছে বিএনপি। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল লেকশোরে এ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ইশতেহারে বিএনপির যে ১৮টি অঙ্গীকার করেছে, এর প্রথমেই আছে, গণতন্ত্রকে নিত্যদিনের চর্চার বিষয়ে পরিণত করা, সংবিধানে সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা, একাধারে পরপর দুই বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না করার বিধান করা, মন্ত্রিসভাসহ প্রধানমন্ত্রীকে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগ দেয়া, সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করা, প্রতিহিংসার রাজনীতি না করা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ বাতিল ইত্যাদিসহ নানা প্রতিশ্রুতির ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি।

ইশতেহারে তরুণ দম্পতি ও উদ্যোক্তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য ২০ বছর মেয়াদি ঋণ চালু, শিক্ষিত বেকারদের বেকার ভাতা চালু, শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে ভ্যাট বাতিল এবং ভ্যাটবিরোধী, কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকছে। এছাড়া শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ অর্থ ব্যয়, শিক্ষা চ্যানেল চালু, বিদেশি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি অর্জনে বৃত্তি, ছাত্রসংসদ নির্বাচন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করা, প্রশ্ন ফাঁস প্রতিরোধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রথম ৩ বছরে দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থায় মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে দুই লাখ মানুষকে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি।

ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত ‘ভিশন ২০৩০’কে গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছে। এর আগে সকালে আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ