কৃষ্ণা কাবেরী হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

মোহাম্মদপুরের শিক্ষিকা কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাস হত্যার প্রধান আসামি কে এম জহিরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। অপর দিকে কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী এবং সন্তানকে আঘাত করায় পৃথক ধারায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের পেশকার সামসুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের (৩ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

২০১৫ সালের গত ৩১ মার্চ মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ভাড়া বাসায় খুন হন কৃষ্ণা কাবেরী মণ্ডল । এ ঘটনায় কাবেরীর বড় ভাই সুধাংশু শেখর বিশ্বাস গুলশানের ব্রোকারেজ হাউজ হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলাম পলাশকে প্রধান আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। সীতাংশু শেখর বিশ্বাস বিআরটিএর প্রকৌশল বিভাগের উপ-পরিচালক ছিলেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন জন্মদিনের ওসিলা করে আসামি কে এম জহিরুল ইসালাম কেক, জুস হাতে একটি ছোট ব্যাগ নিয়ে কৃষ্ণা কাবেরীদের বাড়িতে আসেন। কৌশলে সুধাংশু শেখর বিশ্বাসের ছোট ভাই সীতাংশু শেখর বিশ্বাসকে জুস খাইয়ে অচেতন করেন। এরপরই কৃষ্ণা কাবেরী ও তার মেয়ে শ্রুতি বিশ্বাসকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কৃষ্ণা মারা যান।

প্রসঙ্গত, কৃষ্ণা কাবেরী আদাবরে মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ