এফডিসিতে বুলবুলের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন(বিএফডিসি) প্রঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটে নামাজে জানাজা শুরু হয়।

তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। সেখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বরেণ্য এই সঙ্গীতজ্ঞ। এর আগে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

এর আগে বেলা পৌনে ১১টায় বুলবুলের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। বেলা ১১টার দিকে গার্ড অব অনার শেষে শহীদ মিনারের পাদদেশে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হয় মরদেহ। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষ তাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ১২টা ৪০ মিনিটে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে নিজ বাসায় আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে বয়স তার হয়েছিল ৬৩ বছর।

প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব। একাধারে গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক। ১৯৭০ দশকের শেষ লগ্ন থেকে আমৃত্যু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সঙ্গীত শিল্পে সক্রিয় ছিলেন। তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতির পুরস্কার-সহ অন্যান্য অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

১৯৭০-এর দশকের শেষের দিক থেকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগীতে সক্রিয় হন এই বরেণ্য সুরকার। ১৯৭৮ সালে ‘মেঘ বিজলি বাদল’ ছবিতে সংগীত পরিচালনার মধ্যে দিয়ে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন তিনি। সেই থেকে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন তিনি।

মানবকণ্ঠ/এএম