এক অনন্য উদাহরণ সুফি ফারুক

কুষ্টিয়া ৪ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিল তথ্য প্রযুক্তিবিদ সুফি ফারুক। বিগত ১১ বছর ধরে এলাকার প্রায় ১০ শতাংশ অরাজনৈতিক তরুণ ও মহিলা ভোটারদের নিয়ে কাজ করেছে উঁচু পদে কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে আসা এই তরুণ নেতা। এদের সবার নাম ঠিকানা সহ বিস্তারিত তথ্য রেজিস্ট্রেশন করে, তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ, সেবা ও বৃত্তির মাধ্যমে যুক্ত রেখেছে। সেই একমাত্র প্রার্থী ছিল যে এরকম একটি সুপরিকল্পিত ভোট ব্যাংক তৈরি করেছে। পাশাপাশি বিগত ৩ বছর ধরে বহুমাত্রিক প্রচারণার কারণে তার নামটি ছিল ওই আসনে সর্বাধিক আলোচিত।

শুধুমাত্র তারুণ্যের কোটায় নয়, সকল প্রার্থীর মধ্যে সে হয়ে উঠেছিল অন্যতম প্রতিযোগী। তার সমর্থকরা নিশ্চিত ছিল সে মনোনয়ন পাচ্ছে। কিন্তু সবাইকে হতবাক করে দিয়ে মনোনয়ন পান সম্পূর্ণ নতুন এক মুখ। এমতাবস্থায় যেখানে দেশের অন্য সব আসনে বঞ্চিত প্রার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশে ব্যস্ত, তখন মনোনয়নের ঘোষণা হবার পরেই দলীয় সিদ্ধান্ত বিনাবাক্যে মেনে নিয়ে প্রার্থীকে সমর্থন জানালো সুফি ফারুক।

শুধু ফেসবুকে সমর্থনই নয়, প্রার্থীকে সাহায্য করতে প্রার্থীর আগেই এলাকায় পৌঁছে যান তিনি। প্রতিটি কেন্দ্রে ঘুরে নেতা কর্মীদের ক্ষোভকে প্রশমিত করে নৌকার পক্ষে কাজ করতে আহ্বান জানান তিনি। প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেবার সময় উপস্থিত থেকে সমর্থন প্রকাশ করেছে। এর পরে কর্মী সমাবেশ করে প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন নিজের কর্মীদের সাথে।

এ ছাড়াও ফেসবুকের মাধ্যমে অন্য সব মনোনয়ন না পাওয়া প্রত্যাশীদের নৌকার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সারা দেশব্যাপী মনোনয়নের কোন্দলে বিপরীতে সুফি ফারুকের এই কার্যক্রম অনন্য উদাহরণ হয়ে রয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে।

এ প্রসঙ্গে সুফি ফারুকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুরু থেকেই বলে এসেছি। প্রার্থী যেই হোক না কেনো। নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পাবার জন্য প্রত্যেকের নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। আমি কথা রেখেছি এবং নৌকার পক্ষে প্রচারণা করে যাচ্ছি। আশা করছি এবারো এই আসন থেকে নৌকা বিজয়ী হবে।

মানবকণ্ঠ/আরএ

Leave a Reply

Your email address will not be published.