২৩ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের দিন চূড়ান্ত করে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে নির্বাচনের এই দিন ঘোষণা দেন। সিইসির এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

তিনি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রার্থীর সমর্থক ও এজেন্ট যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হয় বা মামলা-মোকদ্দমার সম্মুখীন না হয়, তার নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দল ও মত নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ, নারী ও পুরুষভেদে সকলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, মতবিরোধ থাকলেও সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণহের অনুরোধ জানাই। প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে বলে আমরা আশা করি।

নির্বাচনী প্রচারণায় সব রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবেএকথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র অনলাইনে দাখিল করা যাবে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত, তা বাছাই হবে ২২ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর। তার ২৪ দিন পর হবে ভোটগ্রহণ। ৩০০টি আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনে এবার ভোট দেবেন ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০ ভোটার।

প্রসঙ্গত, সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচনকালীন সময়ের ক্ষণ-গণনা শুরু হয়। তবে ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিল নির্বাচন কমিশন। এজন্য ১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি জানায় ইসি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

মানবকণ্ঠ/এসএ

Leave a Reply

Your email address will not be published.