আর কত ব্যাংক প্রয়োজন

আর কত ব্যাংক প্রয়োজন

‘কতটা পথ পেরোলে তবে পথিক বলা যায়/ কতটা পথ পেরোলে পাখি জিরোবে তার দায়/ কতটা অপচয়ের পর মানুষ চেনা যায়/ প্রশ্নগুলো সহজ, আর উত্তরও তো জানা/ কত বছর পাহাড় বাঁচে ভেঙে যাবার আগে/ কত বছর মানুষ বাঁচে পায়ে শিকল পরে /ক’বার তুমি অন্ধ সেজে থাকার অনুরাগে/ বলবে তুমি দেখছিলে না তেমন ভালো করে।’ নোবেলজয়ী প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী বব ডিলানের ভাব অনুবাদ করে, শিল্পী কবির সুমন এমন একটা কালজয়ী গানে গেয়েছিলেন, চলমান সমাজের প্রেক্ষাপটে। প্রশ্ন উঠেছে আর কতটা ব্যাংক হলে, সমৃদ্ধ হবে দেশের অর্থনীতি?

ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের সংকট চলছে। এখান থেকে উত্তরণ ঘটানো বেশ জরুরি কিন্তু সেই পদক্ষেপ কোথায়? নিয়ন্ত্রক সংস্থা তদারকি কতটা বাড়াতে পারবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। খেলাপিঋণের লাগাম টেনে ধরা যায়নি বরং অবলোপন সহায়ক নীতিমালা তৈরি করে পরিসংখ্যান ভালো রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোর তৃণমূলের অনিয়ম নৈরাজ্য রোধ করা যাচ্ছে না, তাতে কি শাখা নিরীক্ষার উদ্যোগ তো সীমিত করা গেছে? অর্থ মন্ত্রণালয়ের নজর এখন নিরীক্ষার দিকে। রোগের লক্ষণ স্পষ্ট, তবে ওষুধ জোগানে বিড়ম্বনার কারণ বোঝা যাচ্ছে না। এর মধ্যে গেল ১৭ ফেব্রুয়ারি আরো তিনটি ব্যাংকের অনুমোদন মিলল। নতুন সরকার এসেই অনুমোদন দিল তা নয়, এসব উদ্যোক্তা আগে থেকেই দেন-দরবার করছিলেন। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে আলোচনা হয়েছে। এবার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।

বেসরকারি ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। এরশাদ সরকারের মেয়াদে ৯টি ব্যাংক অনুমোদন পায়। ১৯৯১-৯৬ সালে বিএনপি সরকারের সময় নতুন ৮টি ব্যাংক অনুমোদন পায়। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে অনুমোদন পায় ১৩ ব্যাংক। ২০০৯ থেকে মহাজোট সরকারের তিন মেয়াদে এখন পর্যন্ত ১৪টি বেসরকারি ব্যাংকের অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আওয়ামী লীগের নেতাদের পাশাপাশি নতুন ব্যাংক পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ পুলিশও। নতুন তিন ব্যাংকের অনুমোদনের ফলে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬২টিতে। বেঙ্গল কমার্শিয়াল, পিপলস ও সিটিজেন ব্যাংক অনুমোদন দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ব্যাংক তিনটি এখন আগ্রহপত্র পাবে। অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বাকি কাজগুলো শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এসব ব্যাংককে দুই বছরের মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। অনুমোদন পর্যায়ে ব্যাংকগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা করে। বর্তমানে বেশকিছু ব্যাংকের অবস্থা নাজুক। বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবেচনায় ব্যাংক হয়েছে। তা কিন্তু ভালো হয়নি। ব্যাংক উদ্যোক্তাদের জন্য বরাবরই সুখবর মিলছে। বাজার অর্থনীতিতে ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি কে নির্ধারণ করবে? বাজার না কর্তৃত্বপরায়ণ শক্তি। তত্ত্বীয়ভাবে বাজারের কথা বলা হলেও তা অনেকটা অকার্যকর।

দুর্নীতি ও জালিয়াতির কারণে কয়েকটি নতুন ব্যাংকের অবস্থা খুবই শোচনীয়। বিশেষ করে ফারমার্স ব্যাংকে ব্যাপক লুটপাট ও ঋণ জালিয়াতির কারণে একপর্যায়ে ব্যাংকটি অর্থশূন্য হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের আমানত পর্যন্ত ফেরত দিতে পারছিল না। দিশেহারা হয়ে বর্তমানে ব্যাংকটির নাম বদলে ‘পদ্মা ব্যাংক’ রাখা হয়। বেসরকারি খাতে আরো তিনটি নতুন ব্যাংকের অনুমোদন এমন সময় দেয়া হলো, যখন ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। গ্রাহকদের জন্য নতুন কী সেবা পণ্য নিয়ে আসছে, এমন কী নতুনত্ব আছে যে আরো তিনটি নতুন ব্যাংক আসছে। শুধু তাই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দা থাকায় এবং প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকতে কিছু ব্যাংক আগ্রাসী ব্যাংকিংয়ে ঝুঁকে পড়ে। তারই মাশুল দিয়ে যাচ্ছে এখন। এগুলো বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়া তো দূরের কথা, কোনোমতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। দক্ষ জনবল ও সুশাসন নিশ্চিত না করে নতুন ব্যাংক দেয়া আরেকটি ভুল হবে। এছাড়া বর্তমানে স্বল্প সুদে আমানত পাওয়া যাচ্ছে না। নতুন ব্যাংকের কারণে আমানতে আরো চাপ বাড়বে। এতে ঋণের সুদ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, কোনো ব্যাংককে দেউলিয়া হতে হয় না। সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ফারমার্স ব্যাংক, যা বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক নামে পরিচিত, সে সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘যারা ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই উদ্যোক্তা-পরিচালকরা লুটপাট করে ব্যাংকটি শেষ করে দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশে কোনো ব্যাংকের পতন হয় না। হতে দেয়া হয় না। তাই ফারমার্স ব্যাংক বন্ধ হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই।’ তাহলে কি বলা যায়, উদ্যোক্তা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবসময় যথার্থ পরিচয় দেয় না। ব্যাংক বাঁচাতে সরকারে স্কিম থাকে। তবে তার জন্য দায়ীদের কি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়? প্রথম প্রজন্মের আল-বারাকা ব্যাংককে বন্ধ হতে না দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্কিমের মাধ্যমে জীবন্মৃত করে রেখেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে তহবিল জোগান দিয়ে আসছে সরকার। বাজার অর্থনীতির পীঠস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ব্যাংক উদ্ধার প্রক্রিয়ার কথা বলে থাকেন অনেকে। ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সাপপ্রাইম সংকট মোকাবিলায় ফেডারেল রিজার্ভ জেপি মরগান চেজকে ৩০ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছিল। যদিও সেসময় মিলিয়নারদের জন্য এই উদ্যোগের সমালোচনা শুরু হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনার অবকাশ বেশ কম।

ব্যাংকে প্রয়োজনের তুলনায় দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি রয়েছে। এর এক ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়ছে ব্যাংকিং কার্যক্রমে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগে কাজ করার আগ্রহ কম। ৪০ শতাংশই এ বিভাগে কাজ করতে আগ্রহ দেখান না। এরই মাঝে খেলাপিঋণ কমানোর একটা সহজ পথ বের করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অবলোপনের জন্য এখন আর আগের মতো শতভাগ প্রভিশন লাগবে না। দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অবলোপনে মামলা করতে হবে না। এতদিন মামলা না করে অবলোপন করা যেত ৫০ হাজার টাকা। ঋণ অবলোপন নীতিমালায় শিথিলতা এনে এ সুযোগ দেয়া হয়েছে। অবলোপন নীতিমালা কার স্বার্থে, লাভবান হবে কারা? এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কিন্তু এ প্রশ্নের সুরাহা সহসা হবে না। এতে দীর্ঘমেয়াদে খেলাপির ঝুঁকি আরো বাড়বে। এটি খেলাপি অনুকূলে এক পদক্ষেপ। এতে খেলাপিরা শক্তিশালী হবে। ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিন্তু স্থিতিপত্র দেখতে অনেকটা হৃষ্টপুষ্ট থাকবে। ভেতরে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা যাবে না বরং অন্তঃসলিলা নদীর মতো গভীর খাদ তৈরি করবে। অবলোপন বিবেচনায় নিলে ব্যাংক খাতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপিঋণ ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা। বেশিরভাগ ব্যাংক পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। কাগজ-কলমে ব্যাংকের স্বাস্থ্য ভালো দেখে সাধারণ মানুষ শেয়ার কিনবে কিন্তু বাস্তবচিত্র ভিন্ন কথা বলবে। এতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হতে পারে। খেলাপিদের অনুকূলে সহায়ক নীতিমালা তৈরিতে বেশ সৃজনশীল পদক্ষেপ নিতে পিছিয়ে থাকে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০১৭ সালে এমন একটি নীতিমালা তৈরি করে। এতে দেখা যায়, সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা ঋণ অপব্যবহারের চিত্র পেলেও তা আর শ্রেণিকৃত করতে পারবে না। খেলাপি করতে হলে তদারকি বিভাগকে অবহিত করতে হবে। এতদিন পরিদর্শন কর্মকর্তারাই ঋণ শ্রেণিকৃত করতে পারতেন।

জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব ক্রমেই বাড়ছে। ১৯৭৯ সালের আইনসভায় ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব ছিল ২৮ শতাংশ। পরবর্তীকালে তা ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। ১৯৯১ সালে গঠিত সংসদে ব্যবসায়ী ছিলেন ৫৩ শতাংশ। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর গঠিত সংসদে ব্যবসায়ী রয়েছেন ৫০ শতাংশ। এবার সংসদে ব্যাংক পরিচালক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে ১৭ জন; এর মধ্যে প্রথমবারের মতো সংসদে যাবেন ছয়জন। পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট আছেন ২১ সংসদ সদস্য। এছাড়া অন্যান্য খাতের প্রতিনিধিত্বশীল ব্যবসায়ীরাও এবার নির্বাচিত হয়েছেন। পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের আধিপত্যের বিষয় সর্বজনবিদিত। অর্থনৈতিক সাম্য অনেকটাই প্রতিযোগিতামূলক বাজারের ওপর নির্ভর করে। প্রভাবশালীরা বাজারে হস্তক্ষেপ করে থাকেন। সংসদ সদস্য হিসেবে নীতিকাঠামো তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। বাজার ব্যবসাবান্ধব হলেই যে ক্রেতা-ভোক্তার পক্ষে হবে, এমনটা সব সময় হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তা বিপরীতমুখী।

বিশ্বজুড়ে ব্যাংক পরিচালকদের অন্য কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের মালিকদের মতো ভাবা হয় না। কিন্তু বাংলদেশে পরিস্থিতিটা অন্যরকম। পরিচালকরা বরাবরই মালিকের মতো আচরণ করে। প্রভাব বলয় তৈরি করে সমাজের বিভিন্ন অংশে। সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে ব্যাংকের অর্থে, পরিচালকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম, হাসপাতালসহ বিভিন্ন ধরনের সেবাধর্মী উদ্যোগে। একটি ব্যাংকে থাকা সব পরিচালক সম-মর্যাদায় এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবেন, তা নয়। এখানেও আছে গোষ্ঠীতন্ত্র। ফোরামের ভেতরে যেমন কোরাম প্রতিষ্ঠা পায়, ঠিক তেমনই। প্রায় ৬ কোটি গ্রাহকের বিপরীতে এক হাজার পরিচালক ৫৭টি ব্যাংকের অধিনায়ক হয়ে পড়েছে। এসব ব্যাংক মালিকরা এখন সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেছে। বিভিন্নভাবে চাপ তৈরিতে ব্যাংক পরিচালকদের জুড়ি নেই। এই ধারা আরো শক্তিশালী হচ্ছে। যুক্ত হচ্ছে নতুন ব্যাংকের পরিচালকরা।

তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সব বিষয়ে সায় দেয়, তা নয়। ব্যাংক লুটেরাদের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সীমাবদ্ধতা সর্বজনবিদিত। নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে বাধ্য হয়েছিলে রাজনৈতিক বিবেচনায়- এটা তো অর্থমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অমতে, রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া নয়টি ব্যাংক ভাবিয়ে তুলছে নীতি-নির্ধারকদের। এসব ব্যাংক আগ্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনুমোদন দেয়ার প্রেক্ষাপট থেকে যে বিতর্কের শুরু তা পিছু ছাড়ছে না। বর্তমান অর্থমন্ত্রী অবশ্য ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত নয়। বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হয়তো বিশ্লেষণ আছে।

বর্তমান সময়ে ব্যাংকের নৈতিক দায়িত্ব হলো তিনটি। সততার সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনা; ঋণদানে দায়িত্বশীল থাকা এবং সমমনাদের আদর্শ বাস্তবায়ন করা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানেও রয়েছে বিভাজন। সরকারি ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানই শেষ কথা। সরকারি ব্যাংকগুলো তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা নিয়ে তেমন ভাবে না। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর পরিচালকরা রাজনৈতিকভাবে এতই শক্তিশালী যে, নিজেদের মতো করে সুবিধা আদায়ে আইনি কাঠামো বা বিধি তৈরি করছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের অন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাতেই যোগাযোগের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তৃত করছে। সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে অতিমাত্রার সম্পর্ক নিয়ে এখন নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এতে অবশ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অসহায়ত্বের চিত্র ফুটে উঠছে। ব্যাংক পরিচালকদের স্বার্থ রক্ষায় অভিজাত হোটেলে ছুটে যেতে হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে।
– লেখক: অর্থনীতি বিশ্লেষক

মানবকণ্ঠ/এসএস