আমাদের স্বাধীনতা যেনো কেউ নস্যাৎ করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। দরিদ্র বলে কেউ অবহেলা করতে পারে না। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা কেউ যেন নস্যাৎ করতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদকপ্রাপ্তদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আরো উন্নত সমৃদ্ধ করে যেন গড়ে তুলতে পারি সেজন্য দেশবাসীর সহায়তা চাই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলতে এ জন্য সকলের সহযোগীতা চাই। বাঙালি জাতি রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।

এবারে একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
ভাষা আন্দোলনে মরহুম আ. জা. মা. তকীউল্লাহ (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল ইসলাম। শিল্পকলার সংগীত বিভাগে একুশে পদক পেয়েছেন পাঁচজন। তারা হলেন- শেখ সাদি খান, সুজেয় শ্যাম, ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, খুরশীদ আলম ও মতিউল হক খান। নৃত্যশিল্পী মিনু হক একুশে পদক পেয়েছেন শিল্পকলার নৃত্যে বিশেষ অবদানের জন্য।

অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন শিল্পকলার অভিনয় বিভাগে। নিখিল সেন (নিখিল কুমার সেনগুপ্ত) শিল্পকলার নাটকের জন্য, কালিদাস কর্মকার শিল্পকলার চারুকলায় ও গোলাম মুস্তাফা শিল্পকলার আলোকচিত্রে পেয়েছেন একুশে পদক।

সাংবাদিকতায় ২০১৮ সালের একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হলেন রণেশ মৈত্র। গবেষণায় মরণোত্তর পদক পেয়েছেন ভাষাসৈনিক প্রফেসর জুলেখা হক। অর্থনীতিতে ড. মইনুল ইসলাম ও সমাজসেবায় অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন পেয়েছেন একুশে পদক।

ভাষা সাহিত্যে পাঁচজন পেয়েছেন একুশে পদক। তারা হলেন- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম খান (কবি হায়াৎ সাইফ), সুব্রত বড়ুয়া, রবিউল হুসাইন ও মরহুম খালেকদাদ চৌধুরী।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হচ্ছে একুশে পদক। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গত বছরের ৮ আগস্ট সংশোধিত ‘জাতীয় পুরস্কার/পদক সংক্রান্ত নির্দেশাবলী’তে স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের অর্থ বৃদ্ধি করে।

আগে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্রের সঙ্গে এক লাখ টাকা দেয়া হত। অর্থ বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হয়।

মানবকণ্ঠ/এসএস