আনন্দদায়ক ভ্রমণে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

চারদিকে হৈহুল্লোড়। সবার মনেই যেন নতুন উদ্যম। নিজেকে মানিয়ে নেয়া। হলো সব ঠিকঠাক। তবে কিছু দূর গিয়ে মনে জোর থাকলেও শরীরের শক্তি যেন কমে যাচ্ছে। তাহলে ভ্রমণের আনন্দ কি বৃথা? একদমই না। তাই ভ্রমণে গিয়ে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। খেতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার-

ভ্রমণে নানা রকম ফল অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। সারাদিন ঘুরে বেড়ানোতে আঙ্গুর আপনাকে সতেজ রাখার পাশাপাশি শরীর শুষ্ক হয়ে যাওয়া থেকেও রক্ষা করবে। আপেলও আপনার শরীরে প্রাকৃতিক সুগারের কাজ করবে এবং পানিশূন্যতা রোধে সাহায্য করবে।
পনির: পনির ভ্রমণের সময় শরীরের শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরের শক্তি ধরে রাখে।
সিদ্ধ ডিম: সিদ্ধ ডিম ঘুরে বেড়ানোর খাবার হিসেবে বেশ চমৎকার। এটি প্রোটিনের একটি দারুণ উৎস এবং বহনেও সুবিধা।
দই: বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এয়ারপোর্টের দোকানগুলো থেকে দই কিংবা গ্রিক দই কিনে নিতে পারেন। এতে প্রচুর শক্তি পাওয়া যায়।
ওটমিল: কয়েক দিনের জন্য দূরে কোথাও গেলে প্রতিদিন ঘুরতে বের হওয়ার সময় এক কাপ ওটমিল খেয়ে নিন। গরম পানির মধ্যে ওটমিল দিয়ে খেতে পারেন। এটি আপনার শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখবে।
এড়িয়ে যাওয়া ভালো যে সব খাবার: বেশি বেশি তেলে ভাজা, তেল-মসলার খাবার ভ্রমণে এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের খাবার হজমে বাধা সৃষ্টি করবে এবং যাত্রাপথে অস্বস্তিতে রাখবে। চিজ কিংবা স্যান্ডউইচ যাত্রাপথে একেবারে খাওয়া উচিত নয়। স্যান্ডউইচের ভেতরের ঠাণ্ডা মাংস জীবাণুর বাসস্থান এবং এটা আপনাকে রাস্তায় পেটের সমস্যায় ভোগাতে পারে।
মাছ ও মুরগির মাংস হজম হতে অনেক সময় নেয়। তাই ভ্রমণে এ ধরনের খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এর চেয়ে বরং শাক-সবজি জাতীয় খাবার খান বেশি বেশি। মিষ্টি ক্ষুধা বাড়াবে, তাই ভ্রমণে মিষ্টি জাতীয় খাবারও যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
সতর্কতা: ভ্রমনে ট্যুরিস্ট রেস্টুরেন্টগুলো এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের রেস্টুরেন্টে খাবারের দাম অনেক বেশি। এর বদলে যেখানে বেড়াতে গেছেন, সেখানকার স্থানীয়রা যেসব রেস্টুরেন্টে খায় সেগুলোয় খাওয়ার চেষ্টা করুন। খরচ অনেকটা কম হবে। সঙ্গে কিছু শুকনা খাবার ও পানির বোতল রাখুন। স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো খেয়ে দেখতে পারেন।