আত্মঘাতী গোলে প্রথম পয়েন্ট হারাল শেখ রাসেল

টানা তিন ম্যাচ জয়ের শতভাগ রেকর্ড নিয়ে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র সেই ধারা ধরে রাখতে পারেনি। সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের হোম ভেন্যু ময়মনসিংহের রফিকউদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে তাার স্বাগতিকদের সঙ্গে হোঁচট খেয়েছে। জিততে পারেনি। ১-১ গোলে ড্র করে প্রথম পয়েন্ট হারিয়েছে। চার ম্যাচে শেখ রাসেলের পয়েন্ট ১০। এই ড্র করে শীর্ষ স্থানও হারাল শেখ রাসেল। এক ম্যাচ বেশি খেলে সাইফেরও পয়েন্ট ১০। দিনের অপর মাচটি অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। সেখানে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ৩-২ গোলে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। ৫ ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ৮।

ময়মনসিংহের রফিকউদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে গোলের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে দর্শকদের। প্রথমার্ধে গোল হয়নি। ৭৯ মিনিটে এগিয়ে যায় শেখ রাসেল। কর্নার থেকে হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন উজবেকিস্তানের ফরোয়ার্ড আজিজভ আলিসের। তবে শেখ রাসেল এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ বেশিক্ষণ উপভোগ করতে পারেনি। চার মিনিট পরই সমতা নিয়ে আসে সাইফ স্পোর্টিং। তাও আবার আত্মঘাতী গোলে! দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড সিউনগিল পার্কের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে উল্টো নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন শেখ রাসেলের ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান। আর এই গোলই সাইফ স্পোর্টিংকে এনে দেয় একটি মূল্যবান পয়েন্ট।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম আবাহনী জয়ী হলেও ব্রাদার্স ছেড়ে কথা বলেনি। ১২ মিনিটে কৌশিক বড়ুয়ার কর্নার থেকে শফিকুলের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় চট্টগ্রাম আবাহনী। ৩৩ মিনিটে ব্রাজিলের লিওনার্দোর হেড জালে প্রবেশের সময় মান্নাফ রাব্বি টোকা দিয়ে গোল করলে খেলায় সমতা আনে ব্রাদার্স। ৪৬ মিনিটে মুনুদা বায়েরউয়ের গোলে আবার এগিয়ে যায় চট্টলার দলটি। ১০ মিনিট পর ব্যবধান ৩-১ করেন কৌশিক। ৬৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে লিমা গোল করে ব্যবধান ৩-২ করে কমিয়ে আনলে খেলায় আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। কিন্তু পরে আর কোনো দলই গোল করতে পারেনি।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ