আটাব নির্বাচনে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার

অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুটি প্যানেলের দুই প্রার্থীর হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দু’পক্ষের বিলবোর্ড ভাঙচুর ও ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় প্রায় ৪০ মিনিট ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শনিবার সকাল ৯টা থেকে আটাব নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্মেলন কেন্দ্রসহ আশেপাশের এলাকায় সাজসাজ রব দেখা যায়। কেন্দ্রের ভিতর ও বাইরে বিলবোর্ড ও ব্যানার, পোস্টারে ছেয়ে যায়। নির্বাচনে আটাব গণতান্ত্রিক সচেতন পরিষদ ও আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্য ফ্রন্ট নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। নির্বাচনে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম মিলে মোট দুই হাজার ১২৯ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক হাজার ৭২৯ জন, চট্টগ্রামে ২৪৬ জন ও সিলেটে ১৬৪ জন ভোটার রয়েছেন।

শনিবার সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চললেও বিকেল পৌনে তিনটার দিকে হঠাৎ করেই উত্তেজনা দেখা দেয়। গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকে ভোটারদের কাছে বুথ পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে থাকলে গণতান্ত্রিক সচেতন পরিষদের প্রার্থী আব্দুল মতিন ভুঁইয়া তাকে বাধা দেন। তাকে সেখান থেকে বাইরে আনার চেষ্টাকালে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের কর্মী-সমর্থকরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে দুইতলায় কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকে হট্টগোল করতে থাকে। পরে গণতান্ত্রিক সচেতন পরিষদের কর্মী-সমর্থকরা সেখানে উপস্থিত হলে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ শুরু করলে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা নীচে নেমে আসতে বাধ্য হন। পরে নীচে নেমেও তারা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া করতে থাকেন। এ সময় দুই প্যানেলের বিলবোর্ড ভাঙচুর ও ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে। হট্টগোলকালে প্রায় ৪০ মিনিট ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখে নির্বাচন বোর্ড। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে ৩টা ২৫ মিনিটে আবার ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

মানবকণ্ঠ/বিএএফ