আওয়ামী লীগের গৃহবিবাদ কাজে লাগাতে চায় বিএনপি

আওয়ামী লীগের গৃহবিবাদ কাজে লাগাতে চায় বিএনপি

গাজীপুর-৪ আসন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রূপকার ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জন্মভূমি কাপাসিয়া। বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমদের নিজ এলাকা। এ আসনটি কাপাসিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয়। ভোটার ৩ লাখ ২ হাজার ২৪৫ জন। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। ১৪ দলের প্রার্থী হিসেবে বর্তমান এমপি বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি থাকতে চান। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় এ আসন থেকে সিমিন হোসেন রিমিই এমপি হন। অপরদিকে তাজউদ্দীনের ভাই অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দিন আহমেদও ইতিপূর্বে প্রার্থী হয়েছেন এবং এমপিও নির্বাচিত হয়েছেন। এবারো তিনি প্রার্থী হবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এ ছাড়া দলীয়ভাবে চলছে গৃহবিবাদ। সিমিন হোসেন রিমির ফুফাতো ভাই কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলম আহমদ ও কৃষক লীগের সভাপতি কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদর সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মোল্লাও মনোনয়ন চাইবেন। এদিকে সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের কোন্দল কাজে লাগিয়ে বিএনপি চায় এ আসন পুনরুদ্ধার করতে। তবে বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন পুত্র সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ রাজনীতিতে ফিরে এসে মনোনয়ন চাইলে ভোটের হিসাব নিকাশ পাল্টে যেতে পারে।

প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তার মৃত্যুতে বিএনপির সিনিয়র নেতার শূন্যতা রয়েছে। ফলে বিএনপি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক মন্ত্রী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহর ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নানের নামই বেশি শোনা যাচ্ছে। তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান পেরা, বিএনপির উপজেলা সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যোগাযোগ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিমের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছে।

জাতীয় পার্টি থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী শামসুদ্দিন খান ও মো. মোস্তাাফিজুর রহমান, জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মো. মোশারফ হোসেন জয় ও আনোয়ারা কবির। এ ছাড়া ১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ডা. শহীদুল্লাহ সিকদারও মনোনয়ন চাইবেন। মনোনয়ন চাইবেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মানবেন্দ্র দেব। বর্তমানে তিনি সিপিবির ঢাকা মহানগর কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. নুরুল ইসলাম সরকারও গণসংযোগ করছেন।

আওয়ামী লীগ তাদের আসন ধরে রাখতে চায় আর ২০ দলীয় জোট তথা বিএনপি চায় আসনটি পুনরুদ্ধার করতে। এ আসন থেকে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাজউদ্দীনের ভাই অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দিন আহমেদ, ছেলে তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ এবং মেয়ে সিমিন হোসেন রিমিও এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে। বর্তমানে তাজউদ্দিন আহমদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি এমপি সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও রিমিই আওয়ামী লীগ তথা ১৪ দলের মনোনয়ন পাবেন বলে তার কর্মী সমর্থকরা আশাবাদী। ২০১২ সালে বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ মন্ত্রিত্ব ও পরে এমপি থেকে পদত্যাগের পর উপনির্বাচনে তার বড় বোন সিমিন হোসেন রিমি এমপি নির্বাচিত হন।

প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহর মৃত্যুর কারণে বিএনপির কর্মী সমর্থক ও অধিকাংশ নেতাই তার ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নানের মনোনয়নের প্রতি আশাবাদী। সরকার দলীয় এমপি থাকলেও গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আজিজুর রহমান পেরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তাই বিএনপি আশাবাদী সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা এবারো জয়লাভ করবেন এবং তারা আসন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবেন।

কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম বলেন, দল যাকেই মনোনয়ন দেবে তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচনে লড়াই চালিয়ে যাব এবং আমরা এ আসনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করব। দলের কাছে আমিও মনোনয়ন চাইব। আশা করি দলের মনোনয়ন বোর্ড আমাকে মনোনয়ন দিলে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আসনটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করব।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান জানান, দলের সাংগঠনিক অবস্থান ঠিকই আছে। দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ও পুলিশি আতঙ্কে অনেকেই আত্মগোপনে ও নিশ্চুপ। নির্বাচনকালীন পরিবেশ যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে বিএনপির সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন।

আওয়ামী রাজনীতিতে তাজউদ্দীন পরিবারের ভূমিকা ও প্রভাবের কারণে তৃণমূল বেশ সংহত ছিল। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কাপাসিয়া আওয়ামী লীগে গৃহবিবাদের কারণে অস্থিরতা বিরাজ করছে। কৃষক লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রকাশ্য দ্বন্দ্বই দলটির মাথাব্যথার অন্যতম কারণ।

অন্যদিকে বিএনপির দীর্ঘদিনের কাণ্ডারি ব্রিগেডিয়ার (অব.) আ স ম হান্নান শাহর পরিবারও কম প্রভাবশালী নয়। হান্নান শাহর ছোট ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান বাবার মৃত্যুর পর হাল ধরেছেন বিএনপির। শাহ রিয়াজুল ছাড়াও বিএনপির আরো দু’জন মনোনয়ন প্রত্যাশী মাঠে রয়েছেন। সব মিলিয়ে ভোটের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে নেতাকর্মী সমর্থকদের মধ্যে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নানাভাবে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। সভা-সমাবেশ, কবর জিয়ারত, ঘরোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন। এ আসনে মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যেই ভোটের লড়াই হবে।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কাপাসিয়ায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি তাজউদ্দীন আহমদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯১ সালের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ কাপাসিয়ায় দলকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ জাসদের প্রার্থী ক্যাপ্টেন সুলতান উদ্দীন আহম্মদকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে ১৫ দলীয় ঐক্যজোটের সিপিবির প্রার্থী মুহম্মদ শহীদুল্লাহ জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম ভূঁইয়াকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ওবায়েদ উল্লাহ জাতীয় পার্টির এমএ মজিদকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ব্রিগেডিয়ার (অব.) আ স ম হান্নান শাহ আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী তাজউদ্দীন আহমদের সহধর্মিণী সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনকে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেন।

১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ডা. মো. ছানাউল্লাহ আওয়ামী লীগের ফকির সাহাব উদ্দিনকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে হান্নান শাহ নির্বাচিত হন। ফের ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তাজউদ্দীনের ছোট ভাই অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দীন আহমদ ব্রিগেডিয়ার (অব.) আ স ম হান্নান শাহকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন।

২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নবীন প্রার্থী তাজ উদ্দীন পুত্র তানজিম আহমদ সোহেল তাজ বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী হান্নান শাহকে পরাজিত করে চমক সৃষ্টি করেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ বিএনপি প্রার্থী শিল্পপতি এমএ মজিদকে পরাজিত করে ফের নির্বাচিত হন। তিনি মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। কিছু দিন পর তিনি প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালে উপনির্বাচনে সোহেল তাজের বড় বোন সিমিন হোসেন রিমি তারই চাচা অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দীন আহমদ খানকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে ১০ম সংসদ নির্বাচনে সিমিন হোসেন রিমি জাতীয় পার্টির প্রার্থী ড. মিয়া মো. আনোয়ার হোসেনকে পরাজিত করে ফের নির্বাচিত হন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে মাঠে বেশি সক্রিয় বর্তমান এমপি সিমিন হোসেন রিমি ও তারই ফুপাতো ভাই শিল্পপতি আলম আহমদ। আলম কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য। এ ছাড়াও কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা মনোনয়ন চাইতে পারেন।

সিমিন হোসেন রিমি বলেন, এলাকার মানুষ যাতে ভালোভাবে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারেন সে চেষ্টাই করেছি। কাপাসিয়ার জনগণই আমার কাজের মূল্যায়ন করবেন। স্থানীয় কৃষক লীগের সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, আমি সুস্থ প্রতিযোগিতায় বিশ্বাসী, তাই মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। বিভ্রান্তিকর কোনো কাজ করতে চাই না, যতটুকু সম্ভব সঠিক কাজই করার চেষ্টা করি। নেত্রী আমার কাজের মূল্যায়ন করে আবারো নিশ্চয় দলীয় মনোনয়ন দেবেন।

১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, আমি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের লোক। কাপাসিয়ার মানুষ এতদিন কাঙ্ক্ষিত জনপ্রতিনিধি পাননি। সেই হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা নিশ্চয়ই এবার যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবেন। মনোনয়ন প্রশ্নে কাপাসিয়া আওয়ামী লীগে কিছুটা কোন্দল রয়েছে। তাই জোটের পক্ষ থেকে শরিক দলকে মনোনয়ন দেয়া হলে আমি নির্বাচন করব। তিনি এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ করছেন।

মতবিরোধের কারণে দীর্ঘদিন স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে দূরে আছেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মোল্লা, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট ড. মোমতাজ উদ্দীন আহমেদ মেহেদী, রেলওয়ে শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান আকন, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা নাজমুল আহসান চৌধুরী পিন্টু, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি আমানত হোসেন খান, গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান আরিফ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন। এদের অনেকেই উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি মুহম্মদ শহীদুল্লাহর একক নেতৃত্ব মেনে নিতে পারছেন না। অনেকের ধারণা, বর্তমান এমপি সিমিন হোসেন রিমি যদি আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান এবং দ্বন্দ্বের অবসান না হয়, তাহলে এসব নিষ্ক্রিয় নেতারা অনেকেই নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন না।

মানবকণ্ঠ/এসএস

Leave a Reply

Your email address will not be published.