অবশেষে আশ্রয় পেল কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক

অবশেষে আশ্রয় পেল কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক

অবশেষে স্থায়ী ঠিকানা খুঁজে পেল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারে কুড়িয়ে পাওয়া সেই নবজাতক। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নবজাতককে লালন পালনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স সৈয়দা নার্গিস আক্তার ও তার স্বামী দেবিদ্বার ইবনে সিনা হসপিটালের ল্যাব ইনচার্জ মো. জামাল হোসেনকে। মঙ্গলবার এ কথা নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা ছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জেড এম মিজানুর রহমান, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান একেএম শফিকুল আলম কামাল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ কবির, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবু তাহেরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রসঙ্গত, ১৪ আগস্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে’র বকুলতলায় নবজাতককে কুড়িয়ে পায় হাসপাতালের নার্স সৈয়দা নার্গিস আক্তার। খবরটি দেবিদ্বার উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে নার্স নার্গিসসহ অনেকেই নবজাতককে দত্তক নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরারর মৌখিক আবেদন করেন। প্রশাসন সাময়িকভাবে দেখাশোনার দায়িত্ব দেয় নার্স নার্গিস আক্তারের ওপর। নার্গিস ও জামাল দাম্পতি নবজাতকের নাম রাখেন ফারহান আঞ্জুম অভি। নবজাতককে দত্তক দেয়ার ক্ষেত্রে দাফতরিক সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে ২৮ দিন পর সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে নবজাতককে লালন পালনের দায়িত্ব দেয়া হয় ওই নার্স নার্গিস ও তার স্বামী জামাল হোসেনকে।
শিশুটিকে পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় নার্গিস আক্তার জানান, নিজেকে অনেক ভাগ্যবতী মনে হচ্ছে। তিনি প্রশাসনসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং নবজাতকের জন্য দোয়া চান।

এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নবজাতককে লালন পালনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স সৈয়দা নার্গিস আক্তারকে। আশা করি সেখানে ওই নবজাতক মাতৃস্নেহে বড় হয়ে উঠবে।

মানবকণ্ঠ/এসএ

Leave a Reply

Your email address will not be published.