শিরোনাম :
ভারতে জমি অধিগ্রহণে জটিলতা : আগরতলা-আখাউড়া রেলপথ নির্মাণ আবারো পিছিয়ে গেল
Published : Thursday, 12 January, 2017 at 12:00 AM
মো. ফজলে রাব্বি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ভারতের ত্রিপুরার আগরতলায় এখনো জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় আগরতলা-আখাউড়া রেল প্রকল্প আবারো পিছিয়ে গেছে। মূলত জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে আগরতলা-আখাউড়া রেলপথ নির্মাণের কাজ। আগেও বেশ কয়েকবার সংশয় সৃষ্টি হয়েছে এ রেলপথ নির্মাণ নিয়ে। মূল সমস্যা রয়েছে ভারতীয় অংশে রেলপথ নির্মাণ শুরুর দিনক্ষণ নিয়ে। গত ৯ জানুয়ারি সোমবার আগরতলার দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে এমনটা জানিয়েছেন আগরতলা রেল প্রশাসন ও রেলের নির্মাণ সংস্থা সূত্র। রেলের নির্মাণ সংস্থা ইরকনের পক্ষ থেকে অবশ্য এর মধ্যেই আনুষঙ্গিক কাজ এগিয়ে রাখা হয়েছে। রেলপথ নির্মাণের প্রশ্নে নকশা তৈরির জন্য চলছে জমি, রেলপথের উচ্চতা ইত্যাদি সম্পর্কে সমীক্ষা। এ সমীক্ষা চলছে গত প্রায় মাসখানেক ধরে।
ইরকন সূত্র জানায়, আখাউড়া রেলপথ নির্মাণে ব্যবহার করতে হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। কেননা, আগরতলা তথা ভারতীয় অংশে এ রেলপথের বেশিটাই হবে উড়ালসেতুর ধাঁচে। প্রায় পুরো রেলপথ হবে মাটি থেকে অনেক ওপর দিয়ে। আগরতলা জাতীয় সড়কে যান চলাচল অক্ষুণœ রাখতে এবং বাড়িঘরের ক্ষতি কমাতে এ পদ্ধতিতে রেলপথ করা হবে। জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার অতিরিক্ত অর্থ দিতে রাজি না হওয়াটাও এক্ষেত্রে বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে বলে জানায় ইরকন। এক সময় উল্লিখিত কারণে রেলপথের বাস্তবায়ন নিয়ে বড় সংশয় সৃষ্টি হয়। শেষমেশ মাটির ওপর দিয়ে এ রেলপথ করার সিদ্ধান্ত হয়। জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার মোট ৯৭ কোটি টাকার মঞ্জুরি দেয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের খাত থেকে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়। মাসকয়েক আগে এ বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত রাজ্য সরকারের প্রশাসন জমি অধিগ্রহণের কাজ কার্যত শুরুই করতে পারেনি।
এ রেলপথের জন্য আগরতলা স্টেশন থেকে নিশ্চিতপুর পর্যন্ত মোট ৬৬ একর জমির প্রয়োজন পড়বে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে ৩৭টি বাড়ি। টাকা পেয়েও রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণের কাজে আশানুরূপ অগ্রগতি করতে পারেনি কেন সে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। নিয়ম অনুসারে রেল অথবা অন্য কোনো প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ করে রাজ্য সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জমি অধিগ্রহণ শাখা অধিগ্রহণ শেষে জমি তুলে দেয় নির্দিষ্ট নির্মাণ কর্তৃপক্ষের হাতে। এখন পর্যন্ত অধিগ্রহণের জন্য জমিদাতাদের প্রতি প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে মাত্র। তার আগে হয়েছে জমি চিহ্নিতকরণের কাজ। প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তি জারির পর পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ছয় মাস সময় লাগে। ফলে জুলাই মাসের আগে জমি হস্তান্তরের সম্ভাবনা নেই। সে ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে রেলপথের নির্মাণ শুরু করতে দেরি হবে। আগরতলা-আখাউড়া রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় পনের কিলোমিটার। এর মধ্যে ত্রিপুরা তথা ভারতীয় অংশে পাঁচ কিলোমিটার রেলপথ হবে। বাকিটা হবে বাংলাদেশে।







নগর-মহানগর'র আরও খবর

অ্যাপস ও ফিড
সামাজিক নেটওয়ার্ক
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিস আলমগীর
প্রকাশক : জাকারিয়া চৌধুরী
রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২
ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৩-৫, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৮
ই-মেইল : info@manobkantha.com, mkonlinedesk@gmail.com
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । মানবকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিস আলমগীর, প্রকাশক : জাকারিয়া চৌধুরী
রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২ ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৩-৫, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৮
ই-মেইল : info@manobkantha.com, mkonlinedesk@gmail.com