শিরোনাম :
সন্তানের চাহিদা বেড়ে গেলে কি করবেন
অনলাইন ডেস্ক
Published : Tuesday, 10 January, 2017 at 11:54 AM

সন্তানের চাহিদা বেড়ে গেলে কি করবেনসন্তান মা বাবার কাছে পরম প্রিয় সম্পদ। সন্তান বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে ওঠে একজন মায়ের স্বপ্ন।  সন্তানকে ঘিরেই আগামীর স্বপ্ন বোনা। সন্তানই আগামী দিনে পরিবারের অবিভাবক। ঠিক এই কথাটা কাজে কর্মে আচরণে সন্তানকে বুঝিয়ে বলা ভালো! সন্তান যখন একটু একটু করে বেড়ে উঠছে, পারিবারিক -সামাজিক রীতিনীতিও একটু একটু করে বুঝিয়ে দিতে হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে হবে তা ঠিক নয়, তার চেয়ে ভালো গল্পের ছলে, পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝে সন্তানকে ধারণা দিতে পারেন জীবন যাপনের প্রতিটি বিষয়।

বিশ্বায়নের সন্তানদের যোগ্য মানুষ হওয়া নিয়ে নানা মতবিরোধ তৈরি হয় পরিবারে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনা বাবা মাকে ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। মাঝে মধ্যে সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়ে আসছে, সন্তানের হাতে পিতা খুন! মায়ের মৃত্যু। ইত্যাদি।
কথায় আছে: শিশু-কিশোরেরা উপদেশ শোনার ক্ষেত্রে কান বন্ধ রাখে। কিন্তু দৃষ্টান্ত যখন দেখে, তখন দুই চোখ খুলে রাখে।
প্রসঙ্গ যখন বিলাসিতা, এই বিষয়টিও সে অনুকরণ করার চেষ্টা করবেন। জানেন তো, বিলাসিতার পথে সন্তানকে ঠেলে দেয়া আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। তাকে কর্মের মাধ্যমে অর্জনে সহায়তা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে লেখক ও শিক্ষা গবেষক ফারহানা মান্নানের পরামর্শ হলো,
সন্তান যে কথা বলতে চায় তা শুনতে হবে।

১০ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে শিশুদের শারীরিক পরিবর্তন হয়। এই সময়টাতে তাদের মধ্যে এক ধরনের লাজুকতা কাজ করে। তারা অনেক কিছু করতে চায়, কিন্তু সঠিকভাবে বোঝাতে পারে না। এই সময়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করার থেকে বেশি ঝুঁকে যায়, বন্ধ-বান্ধবদের প্রতি। বন্ধু-বান্ধবের কাছে শেয়ার করতেই তারা বেশি পছন্দ করে। বন্ধু-বান্ধবের লাইফস্টাইলের প্রতিও আকৃষ্ট হয়ে যায়।
মেয়েরা অবশ্য মায়ের কাছে অনেক কিছুই অকপটে বলে ফেলে। কিন্তু ছেলে শিশুরা এগুলো নিয়ে বেশি দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। ফলে বাবাদের দায়িত্ব নিয়ে ছেলের সঙ্গে বন্ধুর মতো হয়ে উঠতে হবে। শুধু বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই অনেক সমস্যা থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।

সন্তানের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে
তোমার সন্তানের শৈশব-কৈশরে আপনার সংস্পর্শ খুব দরকার। সন্তানের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক যেন হয় বিশ্বাস আর ভালোবাসার।
পরিবারের বাইরেও অন্যদের সঙ্গে কীভাবে মিশতে হয় তা শেখিয়ে দেবেন। অন্যের মতের প্রতি কীভাবে সম্মান দেখাতে হয় তা শিক্ষা দিন। আর এই চর্চার শুরু হতে পারে যদি আপনি তার মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকেন।
সন্তানকে সততার শিক্ষা দিতে হবে, দায়িত্ব সম্পর্কে বোঝানো খুব দরকার। তাকে বুঝিয়ে বলবেন, সব কাজে ধৈর্য ধারণ করতে হয়। সব কিছু চাইলেই পাওয়া যায় না। এসব শিক্ষার মাধ্যমে তার জীবনের মজবুত ভিত্তি তৈরি হবে।
যে কোন সন্তান বাবা মায়ের বিশেষ মনোযোগ আশা করে থাকে। এই জন্য বিভিন্ন কাজ কর্ম করে দেখানোর একটা প্রচেষ্টা থাকে তাদের মধ্য। ভালো কাজের জন্যে তার প্রশংসা করুন, তা যতই ছোট হোক। খারাপ কাজের জন্যে কখনো বকা দিতে যাবে না, বুঝিয়ে বলতে হবে কাজটি কীভাবে করা উচিৎ ছিল।

মানবকণ্ঠ/আরএস






অ্যাপস ও ফিড
সামাজিক নেটওয়ার্ক
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিস আলমগীর
প্রকাশক : জাকারিয়া চৌধুরী
রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২
ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৩-৫, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৮
ই-মেইল : info@manobkantha.com, mkonlinedesk@gmail.com
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । মানবকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিস আলমগীর, প্রকাশক : জাকারিয়া চৌধুরী
রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২ ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৩-৫, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৮
ই-মেইল : info@manobkantha.com, mkonlinedesk@gmail.com