শিরোনাম :
নবজাতকের যত্নে বিশেষজ্ঞের মতামত জেনে নিন
স্বরলিপি
Published : Saturday, 7 January, 2017 at 1:37 PM, Update: 07.01.2017 1:44:49 PM
নবজাতকের যত্নে বিশেষজ্ঞের মতামত জেনে নিনশিশুর সঠিক যত্ন নিশ্চিত করার জন্য নতুন মায়েরা অনেক সময় বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কারণ একজনের এক রকম কথা। এই যেমন ধরুন, শিশুকে গোসল করানো যাবে কি যাবে না। করালে কতদিন পর থেকে গোসল করাতে হবে। কোন সাবান দেবে, অ্যান্টিসেপটিক কি ব্যবাহার করা যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই সব প্রশ্নে যাবার আগে একটু চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক:

'২.৫ থেকে ৪ কেজি ওজনের নবজাতককে সুস্থ্য মনে করা হয়। একটি স্বাভাবিক ওজনের সুস্থ শিশুকে জন্মের তিন দিন পর থেকে প্রতিদিনই গোসল করানো যেতে পারে। কম ওজনের অসুস্থ দুর্বল শিশু অনেক সময় দেহের তাপমাত্রা বেশি কমে যেতে পারে বলে আরো পরে গোসল করানো ভালো। স্বাভাবিকভাবে একটি নবজাতক শিশুকে পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত করতে তিন দিনের বেশি দেরি করা ঠিক নয়।' বলছিলেন, ডা.মো খালেদ নূর (নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষঙ্গ সহযোগী অধ্যাপক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়)।

তিনি আরো জানিয়ে দিলেন-

শিশুর ত্বক কোমল। এজন্য বেশি ক্ষার লাগতে দেয়া যাবে না। সাবানে কম বেশি ক্ষার থাকবেই। শিশুর ত্বকের যত্নে বেছে নিতে হবে কম ক্ষারযুক্ত সাবান। সমস্যা এড়াতে চাইলে বেবী সোপ বেছে নিতে পারো।
সাবানের রঙ সাদা হলে ভলো কারন সাদা সাবানে কম ক্ষার থাকে। ছয় মাস পর্যন্ত সপ্তাহে একদিন সাবান দেয়া যেতে পারে। সাবান অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শিশুর ত্বক শুষ্ক হয়ে  যায় । এবং শিশুর ত্বকে চুলকানিসহ নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। পরবর্তীতে এসব সমস্যা বড় ধরনের ইনফেকশন রূপে দেখা দিতে পারে।

সাবান নির্বাচন না হয় সঠিক করলেন কিন্তু সাবান ব্যবহারেও রাখতে হবে কিছু সতকর্তা । কেননা শিশু  গোসলের পানি দেখলেই কান্না জুড়ে দিতে পারে। এতে সাবান লাগাতে অসুবিধায় পরতে হতে পারে। সাবান মুখে লাগানোর সময় সে হয়ত চোখ বন্ধ না করে আপনার দিকেই তাকিয়ে থাকবে। তো! খেয়াল রাখতে হবে-

গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ , শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মওসুফা হকের দেয়া পরামর্শে কি আছে দেখা যাক।
গোসলের সময় শিশু যেন ভীতিকর অভিঙ্গতা অর্জন না করে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
তার শরীরে সাবান দেবার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন সাবানের ফেনা শিশুর নাকে, বা চোখে যেন না ঢোকে।
হাতে , পায়ে বেশি ময়লা জমে। তাই পুরো শরীর ভেঁজানোর আগে হাত, পা পরিষ্কার করে দিও।
খালি হাতে বা নরম স্কাবে শিশুর শরীরে সাবান লাগানো যেতে পারে। সম্ভব হলে নরম হাত মোজা পড়ে নাও শিশুকে গোসল করানোর সময়।
আর গোসল করানোর সময় শিশুর কানের পেছনের দিক এবং নাক কটনবার দিয়ে আস্তে আস্তে পরিষ্কার করে দিবে।
বিসুদ্ধ কুসুম গরম পানিতে শিশুকে গোসল করাবে। গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার করার তেমন প্রয়োজন নেই। এটি শিশুর ত্বকের উপকারী জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করে। ফলে ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। আর ক্ষতিকর জীবাণুর সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে।

মনে রাখা ভালো

আবহাওয়া ঠাণ্ডা থাকলে শিশুকে এক দিন পর পর গোসল করাতে পারো। তবে গোসল না করালে হালকা গরম পানিতে নরম  সুতি কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। শিশুর গোসলের সময় সেখানে ফ্যান চালু রাখবেন না।  আর গোসল করানো শেষ হলে দ্রুত তোয়ালে দিয়ে শিশুর শরীর মুছে জামাকাপড় পরিয়ে দিতে হবে। এতে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা থাকবে না। খেয়াল রাখবে আদরের সোনামণির মাথা ও চুলে যেন পানি জমে না  থাকে।  

মানবকণ্ঠ/আরএস








অ্যাপস ও ফিড
সামাজিক নেটওয়ার্ক
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিস আলমগীর
প্রকাশক : জাকারিয়া চৌধুরী
রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২
ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৩-৫, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৮
ই-মেইল : info@manobkantha.com, mkonlinedesk@gmail.com
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । মানবকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিস আলমগীর, প্রকাশক : জাকারিয়া চৌধুরী
রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২ ফোনঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৩-৫, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৫৫০৪৪৯৪৮
ই-মেইল : info@manobkantha.com, mkonlinedesk@gmail.com