যশোরে জঙ্গি সন্দেহে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

যশোর প্রতিনিধি:
যশোর শহরের শংকরপুর পশু হাসপাতালের পেছনের একটি বাড়ি থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও জিহাদি বইসহ আটক ৩ জনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে নাশকতা কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। গত রোববার রাতে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন ওই থানার এসআই আমির হোসেন। মামলায় ৬ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
গত শনিবার আটককৃতরা হলেন যশোর সদর উপজেলার পুলেরহাট এলাকার মনু কানার বাড়ির ভাড়াটিয়া আবদুল জব্বারের ছেলে রবিউল ইসলাম, শংকুরপুরে অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়বুর রহমানের স্ত্রী মায়শা বিলকিস ও একই এলাকার হাসান আল মামুনের স্ত্রী নুসরত পারভীন।
পলাতক ৬ আসামি হলেন হাসান আল মামুন ওরফে লাল, সদর উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের মজিদ মোড়লের ছেলে শহিদুল ইসলাম সার্ভেয়ার, মনিরামপুরের কোদলাপাড়া গ্রামের মনিরউদ্দিন সরদারের ছেলে রুদ্রপুর মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন, অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী দপ্তরীপাড়ার মৃত সামাদ দপ্তরীর ছেলে প্রফেসর মুজিবর রহমান, চৌগাছার জগন্নাথপুর গ্রামের বুদো বিশ্বাসের ছেলে শহিদুল ইসলাম ইনসাফী এবং বেজপাড়া শংকরপুরের সুমি বেডিংয়ের মালিক আবদুস সবুর।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত শনিবার বিকেলে শংকরপুর পশু হাসপাতালের পেছনের মায়শা বিলকিসের বাড়িতে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় সদস্যরা নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একত্রিত হয়। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তিনজনকে আটক করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকি ৬ জন পালিয়ে যায়। পুলিশ ওই স্থান থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য এবং ইসলামী বই উদ্ধার করে।