মানুষের প্রতি ভালোবাসাই ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির মূল দর্শন: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মানুষের প্রতি ভালোবাসাই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতির মূল দর্শন। মানুষকে ভালোবেসে তিনি একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বাঙালিদের স্বাধীনতার মন্ত্রে দিক্ষিত করেন এবং স্বাধীনতা এনে দেন। গতকাল সোমবার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ কথা বলেন।
শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী এমপি, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম কায়কোবাদ, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, লায়ন মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং কে এম শহিদুল্লাহ।
বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের ধারাবাহিক বিবরণ দিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আমাদের শিশুদেরকে বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্ব প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব। আইটির বদৌলতে বিশ্ব আজ আমাদের হাতের মুঠোয়।’ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে তিনি শিশুদের প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শনের ভিত্তিতে ভবিষ্যতের নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
জাতীয় শিশু দিবসকে শিশুদের একটি মিলনমেলা আখ্যায়িত করে স্পিকার বলেন, ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে হবে। কারণ তার কর্মকাণ্ড বাংলার মানুষের জীবনের প্রতিটি অধ্যায়কে স্পর্শ করে। তার আত্মত্যাগ, আদর্শ, আপসহীন সংগ্রাম ও প্রতিবাদী মানসিকতার কথা এবং তার দর্শন নবপ্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘মানব দরদি ও মানবতার দিশারি এ মহান নেতা আমাদেরকে একটি স্বাধীন দেশ ও একটি স্বাধীন পতাকা দিয়েছেন। আর নিজে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। তাই আমাদের শিশুদেরকে তার এ বীরত্বগাথা অবশ্যই জানাতে হবে।’ অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিযোগী শিশুদের মধ্যে পুরস্কার এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।